Shah Jalal Jibon

Sunday, November 18, 2018

আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও তাই ঘটতে পারে...


সাদ্দাম হোসেনকে যখন গ্রেফতার করা হয় তখন তার দায়িত্বে থাকা ১২ জন মার্কিন সৈন্যের একজন ছিলেন উইল বার্ডেনওয়ার্পার। যিনি সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে '' দা প্রিজনার ইন হিজ প্যালেস, হিজ অ্যামেরিকান গার্ডস, অ্যান্ড হোয়াট হিস্ট্রি লেফট আনসেইড' নামে একটি বই লিখেন।
বইটিতে তিনি লিখেছিলেন, সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসির দেবার পর যখন তাঁর মরদেহ যখন বাইরে রাখা হল, তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল, যারা প্রত্যেকেই ইরাকের নাগরিক। পক্ষান্তরে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেই ১২ জন আমেরিকার সৈন্য প্রত্যেকেই এই দৃশ্য দেখে কেদেছিল।
বঙ্গবন্ধুর মত নেতাও মানুষ চিনতে ভুল করেছিলেন। গোয়েন্দা বিভাগ বার বার তাকে সাবধান করে দেওয়ার পরেও তিনি হাসতে হাসতে বলতেন, বাঙালি কোনদিন তাকে মারতে পারবে না। ইন্দিরা গান্ধীর পরিণতি হয়েছিল আরও করুণ। শত্রুর গুলিতে না, তার মৃত্যু হয়েছিল নিজেরই দেহরক্ষীর গুলিতে।
ইতিহাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়, এক একটা সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে তাদের সব চাইতে কাছের মানুষদের হাত ধরে। সৌদিআরবের বাদশা ফয়সাল যখন তার ভাইপোকে আলিঙ্গন করার উদ্দেশ্যে দু হাত বাড়িয়ে দিলেন, প্রতিউত্তরে হঠাৎই পকেট থেকে পিস্তল বের করে পরপর তিনটা গুলি করে বসলেন।
গোয়েন্দারা আসামী সনাক্ত করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি অবলোপন করে থাকে, তার একটি হল প্রত্যেককেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা। সব চাইতে বেশি সন্দেহ তাকে করা যাকে মনে হবে সব চাইতে কম সন্দেহজনক !! ইতিহাস আমাদের বার বার শিখিয়ে গেছে, মানুষের জীবনের সব চাইতে বড় যে শত্রু তাকে কখনোই চেনা যায় না, সে থাকে সব থেকে কাছের বন্ধুর মত করে।

আপনি সবেচেয়ে বেশি প্রতারিত হবেন আপনার কাছের মানুষদের দ্বারা। যারা আপনাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে তাদের তালিকা করুন, দেখবেন ঐ তালিকায় আপনার কাছের মানুষ/বন্ধুদের নামই বেশি থাকবে। শত্রু কখনো বিশ্বাস ঘাতক হয়না। বিশ্বাসঘাতকতা করে কেবল কাছের মানুষ/বন্ধুরাই। 

Sunday, September 30, 2018

“আইইবি’র 58তম কনভেনশন” 

প্রধান অতিথি: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।


ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর 58তম কনভেনশনের অফিসের কাজে  খুলনায় সফরের কিছু স্থির চিত্র অফিস সহকর্মীদের সাথে।


মাওয়া ফেরী ঘাটে ফেরী পারাপারের সময় তোলা ছবি


কনভেনশনের রেজিষ্ট্রেশন ভেরিফাই করার সময়

কর্ম প্রিয় একজন বস যিনি অফিসের কাজ ছাড়া আর কোথাও ঘুরতে বের হননি আমাদের সাথে



সুন্দরবনের গহীনে আমরা কয়েকজন (যুব সমাজ)


রাত্রের বেলায় খুলনা শহরের ঘুরাঘুরির সময়


বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশে


বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের সামনে


ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশে অনেক পুরনো একটি গাছের ছায়ায়


বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন জাদুঘরের সামনে

সুন্দরবন যাওয়ার পথে আমরা সবাই নদীর উপরে


সুন্দরবনের করমজল এলাকায় আমরা দুই জন


সুন্দরবনের গহীনে ওয়াচ টাওয়ারের আমরা সবাই


সুন্দরবনের গহীনে আমরা তিনজন সিনিয়র-জুনিয়র


সুন্দরবনের গহীনে আমরা কয়েকজন


সুন্দরবনের গহীনে আমরা তিনজন (যুব সমাজ)
গরমে ঠান্ডা হওয়ার প্রচেষ্টা



বিশেষ দ্রষ্টব্য ঃ ছবিগুলোর বাহিরেও অনেক সিনিয়র-জুনিয়র অফিস সহকর্মী ছিল যাদের ছবি আমার সংগ্রহে নাই । তাই তাদের কাছে আমি আগেই ক্ষমাপ্রার্থী।

Thursday, September 27, 2018

“বিবাহত্তোর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে”

এই ছবিগুলো অফিস সহকর্মী জনাব সফিকুল ইসলামের বিবাহত্তোর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তোলা হয়েছে। সিনিয়র-জুনিয়র সবাই একসাথে কোন অনুষ্ঠানে যোগদান করার আনন্দটাই অন্যরকম।


  27শে এপ্রিল, 2018



 অফিসে সিনিয়র-জুনিয়র যখন সবাই একসাথে


Tuesday, January 19, 2016

বন্ধুত্বের বন্ধন

দীর্ঘ 5 থেকে 6 বছর পর আমার বন্ধুদের মধ্যে একজন বন্ধুর উদ্যোগে আবার কিছু সময় কাটানোর লক্ষ্যে অনেক চেষ্টার পর গত রোজার ঈদ-2015 -এ একসাথ হয়ে কিছু সময় কাটানোর জন্য ছোট্ট একটি অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কেন জানি বিধাতা আমরা বন্ধুরা একত্রিত হব তা চায়নি। তাই রোজার ঈদের পুরো সময়টাই গেছে বৃষ্টির মধ্যে। কিন্তু তাই বলে কি আমরা একত্রিত হব না। আবার সেই বন্ধু সোহেল এর একক প্রচেষ্টায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী ঈদ মানে কোরবানী ঈদ-2015 এ অনুষ্ঠান হবে। 

                                              ছবিটি: পটোশপে এডিট করা।

উপরোক্ত ছবিটি’তে আমার 7 জন বন্ধু (মহসিন, রাহুল, সারমিন, মহিন, দীপা, রুবেল, মোরশেদ ও শাহ জালাল)

শেষ পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠান সফল হয় তবে দুঃখের বিষয় আমি শত চেষ্টার পরও সেই দীর্ঘ 5-6 বছর পর একত্রিত হওয়া বন্ধুদের সাথে একত্রিত হতে পারলাম না। ব্যক্তিগত কারণেই একত্রিত হতে পারি নাই। বন্ধুরা অনেকবার যোগাযোগ করেছে এবং আমি যোগাযোগ/তাদেরকে বলেছিলাম যাব কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয় নাই। 

                                              ছবিটি: পটোশপে এডিট করা।


বিধাতা কেন জানি মনে ওই দীর্ঘ 5-6 বছরের আক্ষেপ আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে স্থির করেছে। তাই শত চেষ্টা করেও আমি আক্ষেপটুকু ঘোচাতে পারি নাই। 



জানি না কবে  সেই স্কুল জীবনের বন্ধুদের সাথে একত্রিত হতে পারব। সেই আশায় আশায় দিন পার করছি।


Monday, January 18, 2016

জীবনের কিছু বাস্তব ঘটনা

ছোট্ট এই জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার মধ্যে একটি, যা ভুলে যাওয়ার মত সাহস এখনো হয়নি।

একটা সময় ছিলো যখন একটা নির্দিষ্ট ফোন নাম্বার সব সময়ই কল লিস্টের প্রথমেই থাকতো। নাম্বারটা খুজতে কন্টাক্ট লিস্টে বা ফোন বুকে যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো না। সেই একই নাম্বার একটা সময় চলে যায় yesterday তে। তারপর চলে যায় আরো পেছনের তারিখে। এভাবে একটা সময় আর ডায়াল, রিসিভ বা মিসকল লিস্টেও নাম্বারটা থাকে না। নাম্বার টা কন্টাক্ট বা ফোনবুকে ঘুমিয়ে থাকে। হঠাৎ হঠাৎ নাম্বারটাতে কল দিতে ইচ্ছে করে। খুঁজে বের করে কল দিবো-কি দিবোনা, এই নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে কিছুক্ষণ সময় পার করে "না থাক " এটা বলে আর কল দেওয়া হয় না। তারপর একটা সময় আসে যখন হঠাৎ আর কল দিতেও ইচ্ছে করেনা। স্মৃতি তে ধুলো জমে,,,ঝাপসা হয়ে যায় সব অতীত। তারও অনেক পরে একটা সময় আসে যখন দেখা যায় সেই নাম্বারটা খুঁজেই পাওয়া যায় না, যে নাম্বারটা এত ভালোকরে মুখস্ত ছিলো, সেই নাম্বারটার শেষের বা মাঝের এক-দুইটা সংখ্যা মনেই পড়ছেনা !! কোন এক সন্ধ্যায় হঠাৎ মন খারাপ হয়ে যায়, হয়তো বা সেদিন একটু একটু বৃষ্টি পড়ে, এক ঘেয়েমি ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি। বুকের মধ্যে হঠাৎ মোচড় দিয়ে উঠে, একটা হাহাকার জেগে উঠে । নাম্বারটা যে মানুষটার তার ছবি মনে ভেসে উঠে। আচ্ছা,,মানুষটা এখন কোথায় আছে,, কেমন আছে........? হাত বাড়ালেই যাকে ছোঁয়া যেত,, চোখ মেললেই যাকে দেখা যেত, সে এখন যোজন যোজন দূরে। জীবনের ঘাত--প্রতিঘাতে বাস্তবতাকে আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। তবুও শত অধিকারের অভিমান বুকে চেপে আমরা বেঁচে থাকি। এভাবেই একদিন সব লেনদেন শেষকরে হারিয়ে যাই বিষন্ন মেঘ মালার ভীড়ে.....ভালো থাকুক হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষগুলো। যাদের সাথে জীবনের কিছু সময় খুব ভালোভাবে ব্যয় করতে পেরেছি।



Thursday, January 14, 2016

অতীতের স্মৃতি

অতীতের স্মৃতিগুলোর মধ্যে সামান্য কিছু স্মৃতি ....

সেই ছোটবেলা থেকে এখনও মাঝে মাঝে মনে হয় পরাধীনতা থেকে মৃত্যু ব্যতীত আর কেউ উদ্ধার করতে পারবে ন।


ছোটবেলায় পড়াশুনার জন্য কতবার যে মা-বাবা’র বকাঝকা, মারধর খেয়েছি। এখন তার ফসল পাচ্ছি এখন মনে হচ্ছে ওই সময় যদি আরও একটু মনোযোগ দিয়ে  মা-বাবা’র কথা শুনে পড়া-লেখা করতাম তাহলে আরও ভালো কিছু করতে পারতাম। কিন্তু সেই সময় চলে গেছে তা আর ফিরে পাবো না। আফসোস থেকেই গেল।

আর এখন ছোট্ট একটা চাকুরী করছি। যার জন্য প্রতিদিনই অন্যের কথায় চলতে হয়। অন্যের দেয়া সিদ্ধান্তের উপর নিজেকে চলতে হয়। এক কথায় বলে পরাধীনতার মধ্যেই রয়েছি। জানি না ছোটবেলার সেই সময়ের মত আবার ভবিষ্যতে এই পরাধীনতার জন্য আবার আফসোস করতে হয় কিনা। সময়ে বলে দিবে।

আমার পূর্বের সংরক্ষিত ছবি বলে শুধু মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়া এই ছবিটাই সংগ্রহ করলাম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে.... তার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ জানাচ্ছি নির্বাচন কমিশনকে.





ছোটবেলার কোন ছবি নেই। তারপরও ছোট-ছোট শিশুদেরকে দেখলে নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে এবং ছবি তুলতে মিস করি না ।


যদি ছোটবেলার সেই সময়টা আবার একবার ফিরে পেতাম তাহলে ....




MESSAGE FOR MY ALL FRIENDS

“Life never pleases us by giving us what we want but it always surprises us with things that we deserve. 





So never underestimate yourself as you deserve the best.”

Wednesday, January 13, 2016

জে. এ. ক্রাডিও বাণী

যে নিজে জানে না, সে অন্যে জানে তাও বিশ্বাস করে না ...জে. এ. ক্রাডিও|
এই বাণীটি ছাত্র জীবন থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি কাজেই Experience করে আসছি।

Friday, January 1, 2016

এই ব্লগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য


আমি শাহ জালাল জীবন। এই ব্লগটি খোলার লক্ষ্য হ’ল ছোট্ট এই জীবনের প্রতিটি সময়, দিন, মাস ও বছর যতদিন বেঁচে থাকব তার প্রতিটা মুহূর্তটা সংরক্ষণ করা এবং তা সবাইর সাথে শেয়ার কর। আশা করি সবাই আমাকে ব্লগটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য সাহায্য করবেন।

শাহ জালাল জীবন