Shah Jalal Jibon

Tuesday, January 19, 2016

বন্ধুত্বের বন্ধন

দীর্ঘ 5 থেকে 6 বছর পর আমার বন্ধুদের মধ্যে একজন বন্ধুর উদ্যোগে আবার কিছু সময় কাটানোর লক্ষ্যে অনেক চেষ্টার পর গত রোজার ঈদ-2015 -এ একসাথ হয়ে কিছু সময় কাটানোর জন্য ছোট্ট একটি অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কেন জানি বিধাতা আমরা বন্ধুরা একত্রিত হব তা চায়নি। তাই রোজার ঈদের পুরো সময়টাই গেছে বৃষ্টির মধ্যে। কিন্তু তাই বলে কি আমরা একত্রিত হব না। আবার সেই বন্ধু সোহেল এর একক প্রচেষ্টায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী ঈদ মানে কোরবানী ঈদ-2015 এ অনুষ্ঠান হবে। 

                                              ছবিটি: পটোশপে এডিট করা।

উপরোক্ত ছবিটি’তে আমার 7 জন বন্ধু (মহসিন, রাহুল, সারমিন, মহিন, দীপা, রুবেল, মোরশেদ ও শাহ জালাল)

শেষ পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠান সফল হয় তবে দুঃখের বিষয় আমি শত চেষ্টার পরও সেই দীর্ঘ 5-6 বছর পর একত্রিত হওয়া বন্ধুদের সাথে একত্রিত হতে পারলাম না। ব্যক্তিগত কারণেই একত্রিত হতে পারি নাই। বন্ধুরা অনেকবার যোগাযোগ করেছে এবং আমি যোগাযোগ/তাদেরকে বলেছিলাম যাব কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয় নাই। 

                                              ছবিটি: পটোশপে এডিট করা।


বিধাতা কেন জানি মনে ওই দীর্ঘ 5-6 বছরের আক্ষেপ আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে স্থির করেছে। তাই শত চেষ্টা করেও আমি আক্ষেপটুকু ঘোচাতে পারি নাই। 



জানি না কবে  সেই স্কুল জীবনের বন্ধুদের সাথে একত্রিত হতে পারব। সেই আশায় আশায় দিন পার করছি।


Monday, January 18, 2016

জীবনের কিছু বাস্তব ঘটনা

ছোট্ট এই জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার মধ্যে একটি, যা ভুলে যাওয়ার মত সাহস এখনো হয়নি।

একটা সময় ছিলো যখন একটা নির্দিষ্ট ফোন নাম্বার সব সময়ই কল লিস্টের প্রথমেই থাকতো। নাম্বারটা খুজতে কন্টাক্ট লিস্টে বা ফোন বুকে যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো না। সেই একই নাম্বার একটা সময় চলে যায় yesterday তে। তারপর চলে যায় আরো পেছনের তারিখে। এভাবে একটা সময় আর ডায়াল, রিসিভ বা মিসকল লিস্টেও নাম্বারটা থাকে না। নাম্বার টা কন্টাক্ট বা ফোনবুকে ঘুমিয়ে থাকে। হঠাৎ হঠাৎ নাম্বারটাতে কল দিতে ইচ্ছে করে। খুঁজে বের করে কল দিবো-কি দিবোনা, এই নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে কিছুক্ষণ সময় পার করে "না থাক " এটা বলে আর কল দেওয়া হয় না। তারপর একটা সময় আসে যখন হঠাৎ আর কল দিতেও ইচ্ছে করেনা। স্মৃতি তে ধুলো জমে,,,ঝাপসা হয়ে যায় সব অতীত। তারও অনেক পরে একটা সময় আসে যখন দেখা যায় সেই নাম্বারটা খুঁজেই পাওয়া যায় না, যে নাম্বারটা এত ভালোকরে মুখস্ত ছিলো, সেই নাম্বারটার শেষের বা মাঝের এক-দুইটা সংখ্যা মনেই পড়ছেনা !! কোন এক সন্ধ্যায় হঠাৎ মন খারাপ হয়ে যায়, হয়তো বা সেদিন একটু একটু বৃষ্টি পড়ে, এক ঘেয়েমি ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি। বুকের মধ্যে হঠাৎ মোচড় দিয়ে উঠে, একটা হাহাকার জেগে উঠে । নাম্বারটা যে মানুষটার তার ছবি মনে ভেসে উঠে। আচ্ছা,,মানুষটা এখন কোথায় আছে,, কেমন আছে........? হাত বাড়ালেই যাকে ছোঁয়া যেত,, চোখ মেললেই যাকে দেখা যেত, সে এখন যোজন যোজন দূরে। জীবনের ঘাত--প্রতিঘাতে বাস্তবতাকে আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। তবুও শত অধিকারের অভিমান বুকে চেপে আমরা বেঁচে থাকি। এভাবেই একদিন সব লেনদেন শেষকরে হারিয়ে যাই বিষন্ন মেঘ মালার ভীড়ে.....ভালো থাকুক হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষগুলো। যাদের সাথে জীবনের কিছু সময় খুব ভালোভাবে ব্যয় করতে পেরেছি।



Thursday, January 14, 2016

অতীতের স্মৃতি

অতীতের স্মৃতিগুলোর মধ্যে সামান্য কিছু স্মৃতি ....

সেই ছোটবেলা থেকে এখনও মাঝে মাঝে মনে হয় পরাধীনতা থেকে মৃত্যু ব্যতীত আর কেউ উদ্ধার করতে পারবে ন।


ছোটবেলায় পড়াশুনার জন্য কতবার যে মা-বাবা’র বকাঝকা, মারধর খেয়েছি। এখন তার ফসল পাচ্ছি এখন মনে হচ্ছে ওই সময় যদি আরও একটু মনোযোগ দিয়ে  মা-বাবা’র কথা শুনে পড়া-লেখা করতাম তাহলে আরও ভালো কিছু করতে পারতাম। কিন্তু সেই সময় চলে গেছে তা আর ফিরে পাবো না। আফসোস থেকেই গেল।

আর এখন ছোট্ট একটা চাকুরী করছি। যার জন্য প্রতিদিনই অন্যের কথায় চলতে হয়। অন্যের দেয়া সিদ্ধান্তের উপর নিজেকে চলতে হয়। এক কথায় বলে পরাধীনতার মধ্যেই রয়েছি। জানি না ছোটবেলার সেই সময়ের মত আবার ভবিষ্যতে এই পরাধীনতার জন্য আবার আফসোস করতে হয় কিনা। সময়ে বলে দিবে।

আমার পূর্বের সংরক্ষিত ছবি বলে শুধু মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়া এই ছবিটাই সংগ্রহ করলাম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে.... তার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ জানাচ্ছি নির্বাচন কমিশনকে.





ছোটবেলার কোন ছবি নেই। তারপরও ছোট-ছোট শিশুদেরকে দেখলে নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে এবং ছবি তুলতে মিস করি না ।


যদি ছোটবেলার সেই সময়টা আবার একবার ফিরে পেতাম তাহলে ....